উখিয়া বনবিভাগের জায়গায় অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বহুতল ভবন নির্মাণের হিড়িক বেড়েই চলচে।
সরেজমিনে, ভালুকিয়া বিটের আওতাধীন গয়ালমারা এলাকায় সৈয়দ আলম নামে এক ভূমিদস্যু অবৈধভাবে এ ভবন নির্মাণ করতেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেচে।
বিশ্বস্তসুত্রে, বনবিভাগের বিট কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ হয়ে এই জায়গাকে ভুয়া( অঘোষিত) লোক দেখানো খতিয়ান করে দিয়েছে। তারা যে টাকা নিচে সেটা হালাল করতে কথিত খতিয়ানের তকমা হলো তাদের নতুন পন্দি। না হলে বনবিভাগ খতিয়ান চেক না করে আর এস বিএস না দেখে কিভাবে এসব ভুয়া খতিয়ানের কথা বিশ্বাস করে। এসব টাকা লোভী ও অসাধু কর্মকর্তার কারণে আজ সরকারি সম্পত্তি লুটপাট হচ্ছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিরাট পাহাড়। ধ্বংস হচ্ছে সরকারি বনাঞ্চল।

স্থানীয়রা জানায়, উক্ত জায়গাটি সম্পন্ন বনবিভাগের জায়গা তারা ভুয়া খতিয়ান দেখিয়ে মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। তারা রাতারাতি সরকারি সম্পত্তি লুটপাট করতে চাই। এই জায়গাটি খতিয়ানভুক্ত হলে তারা খতিয়ান শো করে না কেন..? আর এত বড় পাহাড় কেটে কেন ঘর নির্মাণ করতে হলো..? অনুমতি কোথাই পেলো…? বনবিভাগ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর এসবের দায় এড়াতে পারেন না।
সুশীলদের মন্তব্য, বনবিভাগের জায়গা বর্তমানে অনেকটা বেওয়ারিশের মতো। যে কেউ চাইলে ভবন নির্মাণ করতে পারে। সেখানে বাধাবিঘ্ন নেই। বন কর্মকর্তারা কিছুটা গড়ামশি করলেও টাকা পেলে সব ঠিকটাক।
পরিবেশবাদীরা জানায়, শুধু মাত্র ভালুকিয়া বিট নয়, বিট কর্মকর্তা ছৈয়দ আলমসহ বনবিভাগের অনেক কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পুরো বিট জুড়ে সরকারি বনাঞ্চলে চলছে নৈরাজ্য। মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ হয়ে নিরবে ঘুমিয়ে থাকেন বন কর্মকর্তারা।
এদিকে সৈয়দ আলম জানায়, এই জায়গাটি আমার বাবার নামে খতিয়ান ভুক্ত। এটি বনবিভাগের জায়গা নই।
ভালুকিয়া বিটের দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা সৈয়দ আলম জানায়, জায়গাটিতে পাহাড় দেখা গেলেও এটি বনবিভাগের জায়গা নই। এটি তাদের খতিয়ানভুক্ত জায়গা।