কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালীতে দিন দুপুরে এক যুবককে অপহরণের চেষ্ঠা চালিয়েছে কতিপয় চোরাকারবারিরা। স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের সহযোগীতায় প্রায় ৩ ঘন্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত যুককের নাম মোঃ আলমগীর (২৬)। সে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু পাহাড় পাড়া এলাকার নবী হোছাইনের ছেলে।
গত ৩০ নভেম্বর সকাল ১১টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। এ নিয়ে ০২ ডিসেম্বর ভিকটিম মোঃ আলমগীর বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের সুত্রে জানা যায়, গত ৩০ নভেম্বর সকাল ১১টার দিকে তার শ্বশুর বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য থাইংখালী স্টেশনের সাইফ হোটেলের সামনে পৌছলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা চিহ্নিত চোরাকারবারি আবু রাশেদ (২৫), মিজান (২২), তৈয়ব (২০) এবং শহীদুল্লাহ (২০) সহ আরো অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন এসে জোর পূর্বক মোটর সাইকেলে তুলে আবু রাশেদের বাড়িতে নিয়ে আটকিয়ে রাখে। সেখানে বেধড়ক মারধর করে ৩’শ টাকা দামের ২টি অলিখিত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। পরে বিষয়টি ভিকটিম তার স্ত্রীকে ফোন করে বললে, সে তার আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে।
উদ্ধার পরবর্তী ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ আলমগীর বলেন, বিবাদীরা সীমান্তের চোরাকারবারের সাথে জড়িত। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিবাদীদের বিপূল পরিমাণ মিয়ানমারের সিগারেট আটক করে। এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমি এবং আমার ভাই নুর হোছন তথ্য দিয়েছি মর্মে সন্দেহ করে । যার প্রেক্ষিতে চোরাকারবারিরা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। অথচ আমরা কোন দিন এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত নেই এবং ছিলাম না।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর থেকে বিবাদীরা আমাকে ঘুম,খুন,হত্যাসহ নানান হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। যার কারনে আমি বাড়িতে থাকতে পারতেছিনা। তারা যেকোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে। সেজন্য আমি প্রশাসনের নিকট নিরাপত্তার জোর দাবি জানাচ্ছি।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামীম হোছাইন বলেন, এ ধরনের কোন অভিযোগ হাতে আসেনি, যদি আসে তাহলে আসল ঘটনা কি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।